আয়াত ২তাফসীরসংরক্ষণوَلَاۤ اُقۡسِمُ بِالنَّفۡسِ اللَّوَّامَةِؕ﴿۲﴾৭৫-২ : আরও শপথ করিতেছি তিরস্কারকারী আত্মার।
আয়াত ৩তাফসীরসংরক্ষণاَيَحۡسَبُ الۡاِنۡسَانُ اَلَّنۡ نَّجۡمَعَ عِظَامَهٗؕ﴿۳﴾৭৫-৩ : মানুষ কি মনে করে যে, আমি তাহার অস্থিসমূহ একত্র করিতে পারিব না?
আয়াত ৪তাফসীরসংরক্ষণبَلٰى قٰدِرِيۡنَ عَلٰٓى اَنۡ نُّسَوِّىَ بَنَانَهٗ﴿۴﴾৭৫-৪ : বস্তুত আমি উহার অঙ্গুলীর অগ্রভাগ পর্যন্ত পুনবিন্যস্ত করিতে সক্ষম।
আয়াত ৫তাফসীরসংরক্ষণبَلۡ يُرِيۡدُ الۡاِنۡسَانُ لِيَفۡجُرَ اَمَامَهٗۚ﴿۵﴾৭৫-৫ : তবুও মানুষ তাহার ভবিষ্যতেও পাপাচার করিতে চায়।
আয়াত ৬তাফসীরসংরক্ষণيَسۡـَٔـلُ اَيَّانَ يَوۡمُ الۡقِيٰمَةِؕ﴿۶﴾৭৫-৬ : সে প্রশ্ন করে, ‘কখন কিয়ামত দিবস আসিবে?’
আয়াত ১০তাফসীরসংরক্ষণيَقُوۡلُ الۡاِنۡسَانُ يَوۡمَٮِٕذٍ اَيۡنَ الۡمَفَرُّ ۚ﴿۱۰﴾৭৫-১০ : সেদিন - মানুষ বলিবে, ‘আজ পালাইবার স্থান কোথায়?’
আয়াত ১২তাফসীরসংরক্ষণاِلٰى رَبِّكَ يَوۡمَٮِٕذِ اۨلۡمُسۡتَقَرُّ ؕ﴿۱۲﴾৭৫-১২ : সেদিন ঠাঁই হইবে তোমার প্রতিপালকেরই নিকট।
আয়াত ১৩তাফসীরসংরক্ষণيُنَبَّؤُا الۡاِنۡسَانُ يَوۡمَٮِٕذٍۢ بِمَا قَدَّمَ وَاَخَّرَؕ﴿۱۳﴾৭৫-১৩ : সেদিন মানুষকে অবহিত করা হইবে সে কী অগ্রে পাঠাইয়াছে ও কী পশ্চাতে রাখিয়া গিয়াছে।
আয়াত ১৪তাফসীরসংরক্ষণبَلِ الۡاِنۡسَانُ عَلٰى نَفۡسِهٖ بَصِيۡرَةٌ ۙ﴿۱۴﴾৭৫-১৪ : বস্তুত মানুষ নিজের সম্বন্ধে সম্যক অবগত,
আয়াত ১৬তাফসীরসংরক্ষণلَا تُحَرِّكۡ بِهٖ لِسَانَكَ لِتَعۡجَلَ بِهٖؕ﴿۱۶﴾৭৫-১৬ : তাড়াতাড়ি ওহী আয়ত্ত করিবার জন্য তুমি তোমার জিহ্বা উহার সঙ্গে সঞ্চালন করিও না।
আয়াত ১৭তাফসীরসংরক্ষণاِنَّ عَلَيۡنَا جَمۡعَهٗ وَقُرۡاٰنَهٗۚ ۖ﴿۱۷﴾৭৫-১৭ : ইহা সংরক্ষণ ও পাঠ করাইবার দায়িত্ব আমারই।
আয়াত ১৮তাফসীরসংরক্ষণفَاِذَا قَرَاۡنٰهُ فَاتَّبِعۡ قُرۡاٰنَهٗۚ﴿۱۸﴾৭৫-১৮ : সুতরাং যখন আমি উহা পাঠ করি তুমি সেই পাঠের অনুসরণ কর,
আয়াত ১৯তাফসীরসংরক্ষণثُمَّ اِنَّ عَلَيۡنَا بَيَانَهٗؕ﴿۱۹﴾৭৫-১৯ : অতঃপর ইহার বিশদ ব্যাখ্যার দায়িত্ব আমারই।
আয়াত ২০তাফসীরসংরক্ষণكَلَّا بَلۡ تُحِبُّوۡنَ الۡعَاجِلَةَ ۙ﴿۲۰﴾৭৫-২০ : না, তোমরা প্রকৃতপক্ষে পার্থিব জীবনকে ভালবাস;
আয়াত ২২তাফসীরসংরক্ষণوُجُوۡهٌ يَّوۡمَٮِٕذٍ نَّاضِرَةٌ ۙ﴿۲۲﴾৭৫-২২ : সেদিন কোন কোন মুখমণ্ডল উজ্জ্বল হইবে,
আয়াত ২৩তাফসীরসংরক্ষণاِلٰى رَبِّهَا نَاظِرَةٌ ۚ﴿۲۳﴾৭৫-২৩ : তাহারা তাহাদের প্রতিপালকের দিকে তাকাইয়া থাকিবে।
আয়াত ২৪তাফসীরসংরক্ষণوَوُجُوۡهٌ يَّوۡمَٮِٕذٍۢ بَاسِرَةٌ ۙ﴿۲۴﴾৭৫-২৪ : কোন কোন মুখমণ্ডল হইয়া পড়িবে বিবর্ণ,
আয়াত ২৫তাফসীরসংরক্ষণتَظُنُّ اَنۡ يُّفۡعَلَ بِهَا فَاقِرَةٌ ؕ﴿۲۵﴾৭৫-২৫ : আশংকা করিবে যে, এক ধ্বংসকারী বিপর্যয় তাহাদের উপর আপতিত হইবে।
আয়াত ২৬তাফসীরসংরক্ষণكَلَّاۤ اِذَا بَلَغَتِ التَّرَاقِىَۙ﴿۲۶﴾৭৫-২৬ : কখনো নয়, যখন প্রাণ কণ্ঠাগত হইবে,
আয়াত ২৮তাফসীরসংরক্ষণوَّظَنَّ اَنَّهُ الۡفِرَاقُۙ﴿۲۸﴾৭৫-২৮ : তখন তাহার প্রত্যয় হইবে যে, ইহা বিদায়ক্ষণ।
আয়াত ৩০তাফসীরসংরক্ষণاِلٰى رَبِّكَ يَوۡمَٮِٕذِ اۨلۡمَسَاقُؕ﴿۳۰﴾৭৫-৩০ : সেই দিন তোমার প্রভুর নিকট সমস্ত কিছু প্রত্যানীত হইবে।
আয়াত ৩১তাফসীরসংরক্ষণفَلَا صَدَّقَ وَلَا صَلّٰىۙ﴿۳۱﴾৭৫-৩১ : সে বিশ্বাস করে নাই এবং সালাত আদায় করে নাই।
আয়াত ৩২তাফসীরসংরক্ষণوَلٰڪِنۡ كَذَّبَ وَتَوَلّٰىۙ﴿۳۲﴾৭৫-৩২ : বরং সে সত্য প্রত্যাখ্যান করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল।
আয়াত ৩৩তাফসীরসংরক্ষণثُمَّ ذَهَبَ اِلٰٓى اَهۡلِهٖ يَتَمَطّٰىؕ﴿۳۳﴾৭৫-৩৩ : অতঃপর সে তাহার পরিবার - পরিজনের নিকট ফিরিয়া গিয়াছিল দম্ভভরে,
আয়াত ৩৬তাফসীরসংরক্ষণاَيَحۡسَبُ الۡاِنۡسَانُ اَنۡ يُّتۡرَكَ سُدًىؕ﴿۳۶﴾৭৫-৩৬ : মানুষ কি মনে করে যে, তাহাকে নিরর্থক ছাড়িয়া দেওয়া হইবে?
আয়াত ৩৭তাফসীরসংরক্ষণاَلَمۡ يَكُ نُطۡفَةً مِّنۡ مَّنِىٍّ يُّمۡنٰىۙ﴿۳۷﴾৭৫-৩৭ : সে কি স্খলিত শুক্রবিন্দু ছিল না?
আয়াত ৩৮তাফসীরসংরক্ষণثُمَّ كَانَ عَلَقَةً فَخَلَقَ فَسَوّٰىۙ﴿۳۸﴾৭৫-৩৮ : অতঃপর সে ‘আল আলাকায় পরিণত হয়। তারপর আল্লাহ্ তাহাকে আকৃতি দান করেন ও সুঠাম করেন।
আয়াত ৩৯তাফসীরসংরক্ষণفَجَعَلَ مِنۡهُ الزَّوۡجَيۡنِ الذَّكَرَ وَالۡاُنۡثٰىؕ﴿۳۹﴾৭৫-৩৯ : অতঃপর তিনি তাহা হইতে সৃষ্টি করেন যুগল - নর ও নারী।
আয়াত ৪০তাফসীরসংরক্ষণاَلَيۡسَ ذٰلِكَ بِقٰدِرٍ عَلٰٓى اَنۡ يُّحۡـىِۦَ الۡمَوۡتٰى﴿۴۰﴾৭৫-৪০ : তবুও কি সেই স্রষ্টা মৃতকে পুনর্জীবিত করিতে সক্ষম নয়?