আয়াত ১৪তাফসীরসংরক্ষণ৫১-১৪ : ‘তোমরা তোমাদের শাস্তি আস্বাদন কর, তোমরা এই শাস্তিই ত্বরান্বিত করিতে চাহিয়াছিলে।’
আয়াত ১৬তাফসীরসংরক্ষণ৫১-১৬ : উপভোগ করিবে তাহা যাহা তাহাদের প্রতিপালক তাহাদেরকে দিবেন; কারণ পার্থিব জীবনে তাহারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ,
আয়াত ২৩তাফসীরসংরক্ষণ৫১-২৩ : আকাশ ও পৃথিবীর প্রতিপালকের শপথ! অবশ্যই তোমাদের বাক্স্ফূর্তির মতই এই সকল সত্য।
আয়াত ২৫তাফসীরসংরক্ষণ৫১-২৫ : যখন উহারা তাহার নিকট উপস্থিত হইয়া বলিল, ‘সালাম’। উত্তরে সে বলিল,‘সালাম’। ইহারা তো অপরিচিত লোক।
আয়াত ২৬তাফসীরসংরক্ষণ৫১-২৬ : অতঃপর ইব্রাহীম তাহার স্ত্রীর নিকট গেল এবং একটি মাংসল গো - বৎস ভাজা লইয়া আসিল
আয়াত ২৮তাফসীরসংরক্ষণ৫১-২৮ : ইহাতে উহাদের সম্পর্কে তাহার মনে ভীতির সঞ্চার হইল। উহারা বলিল, ‘ভীত হইও না।’ অতঃপর উহারা তাহাকে এক জ্ঞানী পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল।
আয়াত ২৯তাফসীরসংরক্ষণ৫১-২৯ : তখন তাহার স্ত্রী চিৎকার করিতে করিতে সম্মুখে আসিল এবং গাল চাপড়াইয়া বলিল, ‘এই বৃদ্ধ - বন্ধ্যার সন্তান হইবে!’
আয়াত ৩০তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৩০ : তাহারা বলিল, ‘তোমার প্রতিপালক এইরূপই বলিয়াছেন ; তিনিই প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।’
আয়াত ৩৭তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৩৭ : যাহারা মর্মন্তুদ শাস্তিকে ভয় করে আমি তাহাদের জন্য উহাতে একটি নিদর্শন রাখিয়াছি।
আয়াত ৩৮তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৩৮ : এবং নিদর্শন রাখিয়াছি মূসার বৃত্তান্তে, যখন আমি তাহাকে স্পষ্ট প্রমাণসহ ফির‘আওনের নিকট প্রেরণ করিয়া - ছিলাম,
আয়াত ৩৯তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৩৯ : তখন সে ক্ষমতার দম্ভে মুখ ফিরাইয়া লইল এবং বলিল, ‘এই ব্যক্তি হয় এক জাদুকর, না হয় এক উন্মাদ।
আয়াত ৪০তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৪০ : সুতরাং আমি তাহাকে ও তাহার দলবলকে শাস্তি দিলাম এবং উহাদের সমুদ্রে নিক্ষেপ করিলাম, সে তো ছিল তিরস্কারযোগ্য।
আয়াত ৪১তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৪১ : এবং নিদর্শন রহিয়াছে ‘আদের ঘটনায়, যখন আমি তাহাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করিয়াছিলাম অকল্যাণকর বায়ু ;
আয়াত ৪২তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৪২ : ইহা যাহা কিছুর উপর দিয়া বহিয়া গিয়াছিল তাহাকেই চূর্ণ - বিচূর্ণ করিয়া দিয়াছিল,
আয়াত ৪৩তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৪৩ : আরও নিদর্শন রহিয়াছে সামূদের বৃত্তান্তে, যখন তাহাদেরকে বলা হইয়াছিল, ‘ভোগ করিয়া নাও স্বল্পকাল।’
আয়াত ৪৪তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৪৪ : কিন্তু উহারা উহাদের প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করিল ; ফলে উহাদের প্রতি বজ্রাঘাত হইল এবং উহারা উহা দেখিতেছিল।
আয়াত ৪৬তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৪৬ : আমি ধ্বংস করিয়াছিলাম ইহাদের পূর্বে সূরা নূহের সম্প্রদায়কে, ইহারা তো ছিল সত্যত্যাগী সম্প্রদায়।
আয়াত ৪৭তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৪৭ : আমি আকাশ নির্মাণ করিয়াছি আমার ক্ষমতাবলে এবং আমি অবশ্যই মহা - সম্প্রসারণকারী।
আয়াত ৪৯তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৪৯ : আর প্রত্যেক বস্তু আমি সৃষ্টি করিয়াছি জোড়ায় জোড়ায়, যাহাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।
আয়াত ৫০তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৫০ : অতএব তোমরা আল্লাহ্র দিকে ধাবিত হও, আমি তো তোমাদের প্রতি আল্লাহ্ - প্রেরিত স্পষ্ট সতর্ককারী।
আয়াত ৫১তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৫১ : তোমরা আল্লাহ্র সঙ্গে কোন ইলাহ্ স্থির করিও না; আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহ্ - প্রেরিত স্পষ্ট সতর্ককারী।
আয়াত ৫২তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৫২ : এইভাবে উহাদের পূর্ববর্তীদের নিকট যখনই কোন রাসূল আসিয়াছে উহারা তাহাকে বলিয়াছে, ‘তুমি তো এক জাদুকর, না হয় এক উন্মাদ!’
আয়াত ৫৩তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৫৩ : উহারা কি একে অপরকে এই যন্ত্রণাই দিয়া আসিয়াছে? বস্তুত উহারা সীমা - লংঘনকারী সম্প্রদায়।
আয়াত ৫৬তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৫৬ : আমি সৃষ্টি করিয়াছি আল জিন এবং মানুষকে এইজন্য যে, তাহারা আমারই ‘ইবাদত করিবে।
আয়াত ৫৭তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৫৭ : আমি উহাদের নিকট হইতে জীবিকা চাহি না এবং ইহাও চাহি না যে, উহারা আমার আহার্য যোগাইবে।
আয়াত ৫৯তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৫৯ : জালিমদের প্রাপ্য তাহাই যাহা অতীতে উহাদের সমমতাবলম্বীরা ভোগ করিয়াছে। সুতরাং উহারা ইহার জন্য আমার নিকট যেন ত্বরা না করে।
আয়াত ৬০তাফসীরসংরক্ষণ৫১-৬০ : কাফিরদের জন্য দুর্ভোগ তাহাদের সেই দিনের, যেই দিনের বিষয়ে উহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছে।